#Weatherofwestbengal
নিজস্ব সংবাদদাতা: বড়দিনের সময় থেকে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গে ধেয়ে আসছে অতি শক্তিশালী শৈত্যপ্রবাহ বলয় তুষার। এটিই হতে চলেছে শীত মরশুমের এখনো পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী শীতবলয় যা খুবই কনকনে ও ভয়াবহ। এই শৈত্যপ্রবাহ বলয়ের বৈশিষ্ট্য হবে দিন ও রাত উভয় সময়েই কনকনে হিমশীতল উত্তরে হাওয়া বয়ে যাবে। যার জন্য পশ্চিমাঞ্চলের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ভোরের দিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নেমে যেতে পারে। পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ের কিছু কিছু অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হতে পারে ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। এর পাশাপাশি বাঁকুড়া জেলার পাহাড়ি অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হতে পারে হিমাঙ্কের কাছাকাছি। যার জন্য ভোরবেলায় গ্রাউন্ড ফ্রস্ট বা ভূমি তুষার দেখা যাবে। হুগলি, হাওড়া, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম জেলায় মরশুমের এখনো পর্যন্ত সবচেয়ে কনকনে শীত পড়তে চলেছে। এই সমস্ত অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে যাবে পাঁচ থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে দশ থেকে বারো ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। শীতের এই স্পেলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কলকাতায় চলে যেতে পারে নয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। তাই বলাই বাহুল্য ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভয়াবহ ঠাণ্ডা পড়তে চলেছে। রৌদ্রজ্জ্বল শুষ্ক আবহাওয়া ও কনকনে শীত রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তীব্র থেকে তীব্রতর হতে পারে শৈত্যপ্রবাহ। যে শীতের স্পেল আসতে চলেছে বহুদিন পর এমন শীত পাবে সমগ্র দক্ষিণবঙ্গবাসী।

No comments:
Post a Comment