ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের রামিনেন্ট বর্তমানে দুর্বল হয়ে সুষ্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এবং উত্তর ও উত্তর উত্তর পশ্চিম দিকে উঠে গিয়ে বিহার ও সংলগ্ন পূর্ব উত্তরপ্রদেশের উপর অবস্থান করছে। তার জন্য সমুদ্র থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প পূর্ণ আদ্র বাতাস হিমালয় পাদদেশীয় (Foothills) অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। নিম্নচাপ ও সামুদ্রিক আদ্র বাতাসের জলীয় সংযুক্তির জন্য ৭২-৯৬ ঘন্টায় উত্তরবঙ্গ, বিহার ও পূর্ব উত্তরপ্রদেশের কোথাও কোথাও দমকা হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ৩০-৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় দমকা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তবে উপরের দিকে সক্রিয় পশ্চিমা বাতাস থাকার জন্য ৪৮-৭২ ঘন্টার মধ্যে সিস্টেমটি আরো দুর্বল হয়ে ঘূর্ণাবর্ত বা নিম্নচাপ রুপে বিহার বা উত্তরবঙ্গের দিকে অগ্রসর হতে পারে অথবা অক্ষরেখার সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে গিয়ে হিমালয় পাদদেশীয় অঞ্চলে ৭২-৯৬ ঘন্টায় ভারী বৃষ্টি/ বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি ঘটাতে পারে। সিস্টেমটি ১২ ঘন্টায় আরো দুর্বল হয়ে সাধারণ নিম্নচাপে পরিণত হবার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের কোচবিহার আলিপুরদুয়ার দার্জিলিং জলপাইগুড়ি দিনাজপুর মালদা জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি ও কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুত সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে ৪৮-৭২ ঘন্টায়। উত্তরপ্রদেশের পূর্বাঞ্চল ও মধ্যভাগ, বিহার ও নেপালে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে ৪৮-৭২ ঘন্টায়। যেহেতু সমুদ্র থেকে উত্তর ভারতের দিকে তীব্র বায়ুর চাপ ঢালের তারতম্য রয়েছে তাই দক্ষিণবঙ্গে কোনো কোনো সময় দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে ৪৮ ঘন্টায়। তবে আবহাওয়ার উন্নতি হবে। আকাশ থাকবে রৌদ্রজ্জ্বল থেকে আংশিক মেঘলা। কিছু কিছু সময় দক্ষিণবঙ্গের কোথাও কোথাও মেঘাচ্ছন্নতা দেখা গেলেও মূলত রৌদ্রজ্জ্বল থেকে আংশিক মেঘলা আকাশ চোখে পড়বে। উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা হ্রাস পেয়েছে। তবে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকার জন্য কিছু কিছু যায়গায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুত সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ভ্যাপসা ও আদ্র গরম যুক্ত অসহনীয় গরম অনুভব হবে। এদিকে কেরালায় ৩০ মে থেকে ১ জুনের মধ্যে মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করতে পারে। ৮/৯-১৫/১৬ জুনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করার সম্ভাবনা রয়েছে।
পূর্বাভাস প্রদানকারী অর্ঘ্য বটব্যাল।
তারিখ: ২৮.৫.২০২১

No comments:
Post a Comment